বানগড়ের খনন প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন নিয়ে সংসদে সরব সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

৬ই আগষ্ট, দিল্লিঃ ইতিহাস বিজরিত দক্ষিণ দিনাজপুরের বানগড় নিয়ে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংসদে সরব হলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। অতি দ্রুত খনন কাজ শুরু করতে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।

 

সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে লিখিত দাবি পত্র দেওয়ার পর সোমবার রাতে নিজের ভাষণ তুলে ধরেন সাংসদ। এদিকে বানগড় নিয়ে কেন্দ্রের উদাসীন মনোভাবের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলার ইতিহাস গবেষকরা। খনন কাজ শুরু করার দাবি করেছেন তিনি।

১৯৩৭-৪১ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কুঞ্জ গোবিন্দ ঘোষ স্বামীর হাত ধরে প্রথম খনন কাজ হয়েছিল বানগড়ে। সেইসময় খননকার্যে উঠে আসে পাল, মৌর্য, সেন, কুষান, সঙ্গ ও গুপ্ত যুগের ছয়টি স্তরের নানা নিদর্শন। দীর্ঘ বছর পর ফের একবার 2007 সালে খনন কাজ হলে বানগড়ের মাটি থেকে উঠে আসে কুষাণ যুগের মুদ্রা। 2009 সাল পর্যন্ত বানগড়ের খননে সামনে আসে ওয়াচ টাওয়ার, পোড়া মাটির মেঝে, প্রাচীন জৈন মন্দির প্রভৃতি। জেলার ঐতিহাসিক দাবি করেন অবহেলায় প্রচুর মূর্তি এই এলাকা থেকে চুরি হয়ে গেছে। তবে বর্তমানে সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সংসদে একাধিক ভাষণের মাধ্যমে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন জেলার  ইতিহাসবিদেরা। ইতিহাস গবেষক সমিত ঘোষ জানিয়েছেন বানগড়কে প্রাধান্য না দেওয়াটা তাদের কাছে দুঃখের বিষয়। অন্যান্য ইতিহাস বিজড়িত স্থান থেকেও বানগড়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। কেন্দ্র ও রাজ্যের হস্তক্ষেপে বানগড়ের বিষয়টি সামনে আসুক। তাহলেই বানগড়ের মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসবে ইতিহাসের নানা নিদর্শন।

সাংসদ সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের বাণগড় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান ইতিহাসের একাধিক তথ্য উঠে এসেছে বানগড় থেকে। বানগড়ের খনন শুরু করতে সংসদে কেন্দ্র সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *