টোটো বন্ধের নির্দেশিকার প্রতিবাদে জেলা শাসককে ডেপুটেশন

বালুরঘাট, ২৯ আগস্টঃ পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে টোটো বন্ধের নির্দেশিকার প্রতিবাদে আন্দোলনে নামলেন শতাধিক টোটো চালক । বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বালুরঘাট জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান উত্তেজিত টোটো চালকরা । অবিলম্বে সমস্ত টোটো চালকদের লাইসেন্স প্রদান, অযথা হয়রানি বন্ধ সহ ৫ দফা দাবীতে জেলা শাসককে স্বারকলিপি পেশ করে সংগ্রামী টোটো চালক ইউনিয়ন । তাদের দাবি মানা না হলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে পা বাড়াতে বাধ্য হবেন তাঁরা ।

সংগঠনের দাবী, চাকরি না পেয়ে প্রচুর বেকার যুবক তাদের আর্থিক সংস্থানের জন্য এই পেশায় ঝাপিয়েছে । সেক্ষেত্রে হঠাৎ করে সরকার টোটো নিষিদ্ধ করার অভিযানে নামার ডাক দেওয়ায় তাদের পরিবার পরিজনকে নিয়ে রাস্তায় নামা ছাড়া বিকল্প কোন পথ খোলা নেই বলে । যার প্রতিবাদেই এদিনের আন্দোলনের ডাক ।

হিলি টুরা করিডরের দাবীতে সংসদের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করলেন কমিটির সদস্যরা

১৪ই আগষ্ট, বহরমপুরঃ মেঘালয়ের টুরা হয়ে বাংলাদেশ হয়ে পশ্চিমবঙ্গের হিলি হয়ে মাত্র ৮২ কিলোমিটার দূরত্বের হিলি টুরা করিডরের দাবীতে সংসদের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করলেন কমিটির আহ্বায়ক নবকুমার দাস সহ বঙ্গরত্ন অমূল্যরতন বিশ্বাস, প্রাক্তন সাংসদ রণেন বর্মণ। এদিন বহরমপুরের বাস ভবনে অধীর চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা। এইদিন অধীর বাবুর কাছে করিডরের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের জন্য তার সহযোগীতা চাওয়া হয় করিডর কমিটির পক্ষ থেকে। তারা দাবী করেন করিডর বিষয়ক মন্ত্রী নিতীন গডকরীর হস্তক্ষেপের জন্য অধীর বাবুর সহযোগীতা চাওয়ার পাশাপাশি সংসদে এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলবার বিষয়েও তাকে অনুরোধ করা হয়। করিডর কমিটির আহ্বায়ক নবকুমার দাস আমাদের বলেন এইদিন তারা তার কাছে দাবী পত্র তুলে দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই বিষয়ে জোড়ালো দাবী করবার জন্য  সংসদের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরীর হস্তক্ষেপের আহ্বান করা হয়। তিনি বলেন এই করিডর বাংলার দিগন্ত খুলে দেবে শুধু নয় দেশের সুরক্ষার প্রশ্নে এই করিডর একটা বিকল্প পথের সন্ধান দেবে। পাশাপাশি মেঘালয় সহ সমগ্র উত্তরপূর্ব ভারতের সঙ্গে পূর্ব ভারতের মধ্যে যোগাযোগের এই করিডর হয়ে উঠবে সহজ ও দ্রুত যোগাযোগের পথ। যার জন্য ইতিমধ্যে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী নয় দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি সহ বাংলার মূখ্যমন্ত্রী, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে করিডর কমিটি। এবার দেশের নতুন সরকার গঠন হবার পরে এই প্রথম পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা শুরু করলো করিডর কমিটি। ইতিমধ্যে এই বিষয় নিয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে দেখা করে করিডরের দাবী পত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

এই বিষয়ে অধীর চৌধুরী জানান এই করিডর বাস্তবায়নের জন্য তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করবেন। তিনি বলেন এই বিষয়ে তিনি মন্ত্রী নিতীন গডকরীর সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের ব্যাবস্থা করবেন তিনি। তিনি এই রুটে বিবিআইএন চুক্তি মতে বাস এই রুটে বাস পরিষেবা চালুর করবার জন্য মন্ত্রী নিতীন গডকরীর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

 

ডাইমন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী নীলাঞ্জন রায় এক আধিকারিককে ফোনে হুমকির অভিযোগ

১৫ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেক্সঃ জানতে নিচে ক্লিক করুন

কেশপুরের পর মেদিনীপুর, এ বার ভারতীর কনভয় রুখল পুলিশ

১২ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ

দিনভর তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ ইটবৃষ্টিতে বার বার কেশপুরের বিভিন্ন জায়গায় আটকা পড়েছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। দিনের শেষে, তৃণমূল নয়, তাঁকে রাস্তায় আটকে দিল রাজ্য পুলিশ।

বেলা পৌনে তিনটে নাগাদ রণক্ষেত্র কেশপুর থেকে পুলিশি ঘেরাটোপে কেশপুর থানা ছাড়েন ভারতী ঘোষ। পথে ঝেঁতলায় শশীভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌঁছলে সেখানে ফের এক বার তৃণমূল কর্মীদের ব্যপক বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন তিনি। বিক্ষোভের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় ব্যপক বোমাবাজি। বুথ এবং বুথের চারপাশে মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা পড়তে থাকে। প্রায় ৪০ মিনিট পর কেশপুর থানা থেকে র‌্যাফ এবং কমব্যাট বাহিনী গিয়ে ঘেরাওমুক্ত করে ভারতী ঘোষকে। সেখান থেকে তিনি রওনা হন মেদিনীপুরের দিকে।

বিকেল ৪টে নাগাদ মেদিনীপুর শহরে ঢোকার মুখে ধর্মার মোড়ে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। গার্ডরেল দিয়ে রাস্তা আটকে থামানো হয় ভারতীর কনভয়। সেখানে ছিলেন দু’জন ডেপুটি পুলিশ সুপার পদমর্যাদার আধিকারিক। তাঁরা কনভয় আটকে ভারতীর নিরাপত্তারক্ষীদের গাড়ি থেকে নামতে বলেন। সেখানে তাঁরা ওই আধিকারিককে কেশপুরের দোগাছিয়ায় গুলি চালানোর প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, দোগাছিয়ায় ভারতীর সিআইএসএফ নিরাপত্তারক্ষীরা জনতা লক্ষ্য  করে গুলি চালায়। তৃণমূলের দাবি কমপক্ষে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালান ভারতীর নিরাপত্তারক্ষীরা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতির দাবি, সেই গুলিতে জখম হয়েছেন স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতা বক্তিয়ার খান। তাঁর ডান হাতে গুলি লেগেছে। তার ভিত্তিতে কেশপুর থানাতে অভিযোগও দায়ের করা হয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে। তৃণমূল প্রার্থী দেবও বক্তিয়ারের বাড়িতে যান এ দিন।

অন্য দিকে কেশপুরের পিকুরদাতে ২০৬ এবং ২০৭ নম্বর বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী-সহ বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ঢোকা এবং বুথে কমিশনের নিয়ম ভেঙে মোবাইলে ভিডিয়ো করার জন্য ভারতীর বিরুদ্ধে এফআইএর-র নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।

কিন্তু ধর্মার মোড়ে তাঁকে আটকানোর সময় উপস্থিত পুলিশের কর্তারা স্পষ্ট ভাবে জবাব দিতে পারেননি কোন কারণে অর্থাৎ তৃণমূলের করা অভিযোগের ভিত্তিতে নাকি কমিশনের করা এফআইআরের ভিত্তিতে তাঁকে আটক করা হয়েছে।

ভারতীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফের বাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছেন ডেপুটি কমান্ডান্ট পদমর্যাদার অফিসার পবণ কুমার। তাঁকে পুলিশ গুলি চালানোর বিষয়ে প্রশ্ন করে। তবে পাল্টা ভারতী বলেন, ‘‘যদি কোনও অভিযোগ হয়ে থাকে, তবে তার ভিত্তিতে এফআইআর হবে। পুলিশ তদন্ত করবে। গুলি মিলিয়ে দেখা হবে। তার সঙ্গে আমাকে আটকে রাখার কি সম্পর্ক? আমি তো প্রার্থী। আমাকে তো বিভিন্ন বুথে যেতে হবে। আমি তো গুলি চালাইনি।” তাঁর অভিযোগ, তিনি যাতে পিংলা যেতে না পারেন তাই পরিকল্পনামাফিক তাঁর গাড়ি আটকে রেখেছে পুলিশ।

বেলা সাড়ে চারটে পর্যন্ত ভারতীর কনভয় আটকে থাকে এবং কার্যত অচলাবস্থা তৈরি হয়। পাশাপাশি ধর্মার মোড়ে ভিড় বাড়তে থাকে। জড় হতে থাকেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। বাড়তে থাকে উত্তেজনা।

এক সময় জেলা ‘চালাতেন’, আজ বিক্ষোভ এড়াতে মন্দিরের পাঁচির টপকে থানায় ‘ঠাঁই’ ভারতীর

১২ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ একটা সময় গোটা জেলায় তিনিই কার্যত ছিলেন শেষ কথা। গোটা পশ্চিম মেদিনীপুর একটা নামেই একপ্রকার কাঁপত। তিনি ভারতী ঘোষ। কালক্রমে প্রাক্তন আইপিএস হয়ে এখন তিনি বিজেপির ঘাটালের প্রার্থী।

আর এই রাজনীতিতে এসেই তিনি বুঝতে পারছেন, একটা সময় জেলার মানুষ তাঁকে ভয় পেত বটে। কিন্তু এখন তিনি কেবলই একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মাত্র। সাধারণ মানুষ আর তাঁকে ভয় তো পাচ্ছেই না, বরং তৃণমূলীরা ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে’ বুঝে নিচ্ছেন বিজেপি প্রার্থীকে।

সকাল থেকে একের পর এক বিক্ষোভ, তৃণমূলের মহিলাদের সঙ্গে কার্যত মারধর, কান্নাকাটি, পায়ের নখ উপড়ে যাওয়া, শেষে পরিস্থিতি বেগতিক ঠেকায় কেশপুরের একটি মন্দিরে আশ্রয় নিতে হয় ভারতীকে। কিন্তু সেখানেই রেহাই নেই। মন্দির সংলগ্ন এলাকাতেও অশান্তি শুরু হলে কার্যত পালিয়ে গিয়ে কেশপুর থানায় আশ্রয় নেন ভারতী।

এরই মধ্যে ভারতীর গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় পুলিশের। ভারতীর অভিযোগ, ‘প্রার্থীর দায়িত্ব গাড়ির জন্যে আগাম অনুমতি নেওয়া৷ আমি গতকাল কেশপুরে ঢুকব এমন জানিয়ে, এডিএ-এর কাছে অনুমতি নিয়েছিলাম৷ সেটা ডিলিট করে দিয়েছে৷ এবং আজ আমার গাড়ি আটকেছে পুলিশ৷’ যদিও নির্বাচন কমিশন থেকেই ওই গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

মহিলা ভোটারদের মারধর বাহিনীর, বিক্ষোভে ক্ষমা চাইলেন জওয়ানরা

১২ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ মহিলা ভোটারদের মারধরের অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। পরে বিক্ষোভের মুখে পড়ে ভোটারদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন জওয়ানরা। পুরুলিয়ায় বলরামপুরের মিশিরডি স্কুলে ঘটেছে এই ঘটনা। ভোটের লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বচসায় ঘটনার সূত্রপাত। পরিস্থিতি সামাল দিতে মহিলা ভোটারদের মারধরের অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। এরপরই এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভোট বন্ধ করে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ভোটাররা। বন্ধ হয়ে যায় ভোটগ্রহণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে বাহিনী। পরে ভোটারদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে চাপের মুখে জওয়ানরা ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন।

ভোটের দিন ভর ভারতী ঘোষ

১২ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ 

দুপুর সাড়ে ১২টা: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 

ভোটগ্রহণ পর্বকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না। সেখানে বিজেপি সমর্থকদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা বাঁশ, লাঠি নিয়ে তাদের কর্মীদের মারধর করেছে। ঘটনাটি নোনাকুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪১ নম্বর বুথের।

দুপুর ১২টা: কেশপুরের গোটগেড়িয়ায় গ্রামবাসীদের ভোটদানে বাধা, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েক জন

বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কেশপুরের গোটগেড়িয়া। গ্রামবাসীদের ভোট দিতে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি সমর্থকদের অভিযোগ, গোটগেড়িয়া হাইস্কুলের ২০৬ এবং ২০৭ নম্বর বুথে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু বুথের বেশ কিছুটা আগে তৃণমূলের শ’দেড়েক দুষ্কৃতী অস্ত্র, বাঁশ, লাঠি নিয়ে পথ আটকে রাখে। গ্রামবাসীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশের একটি ছোট দল এলে তাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। নিরাপত্তা দিয়ে বুথে পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানান গ্রামবাসীরা। অভিযোগ, পুলিশ তা করেনি। তখন প্রায় তিনশো গ্রামবাসীরা দল বেঁধে বুথের দিকে এগোতে চেষ্টা করলেই তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এই ঘটনায় বেশ কয়েক জন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন।

সকাল ১১টা পর্যন্ত ৩৮.০৮ শতাংশ ভোট পড়েছে এ রাজ্যে।

ঘাটালে জমায়েত সরাতে লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর।নিজস্ব চিত্র।

সকাল সওয়া ১১টা: ভারতীকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, মন্দিরে পাঁচিল টপকে থানায় আশ্রয় 

কেশপুরর বাজারের সামনে ভারতীর গাড়ি আটকাল পুলিশ। পুলিশের দাবি নির্বাচন কমিশন থেকে এই গাড়িতে ঘোরার জন্য অনুমতি নেওয়া হয়নি। কেন গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হল, এই প্রতিবাদে স্থানীয় এক কালী মন্দিরে ধর্নায় বসে পড়েন তিনি। কালী মন্দির লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীরা ইট ছুড়তে থাকে। হামলার হাত থেকে বাঁচতে কোনও রকমে মন্দিরের পাঁচিল টপকে বেরিয়ে থানায় আশ্য় নেন তিনি। বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে র‌্যাফ লাঠিচার্জ করে, কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।ভারতী ঘোষকে উদ্ধার করতে গাড়ি পাঠাচ্ছে দিলীপ ঘোষ। দলকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

কেশপুরে কালী মন্দিরে ধর্নায় ভারতী। নিজস্ব চিত্র।

সকাল ১১টা: শালবনিতে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে

কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে। তৃণমূলের অভিযোগ, সেখানকার ১৮৬ এবং ২৩৪ নম্বর বুথে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটাদের প্রভাবিত করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

ভারতীর গাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাফ। নিজস্ব চিত্র।

পৌনে ১১টা: ভারতীর দেহরক্ষীর গুলিতে আহত এক ব্যক্তি

ভারতীর দেহরক্ষীর গুলিতে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনা কেশপুরের দোগাছিয়ার। অভিযোগ, ভারতী ওই এলাকার একটি বুথে যেতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বুথের সামনে প্রচুর লোকের ভিড় থাকায় ভারতী তাঁদের সরিয়ে দিতে বলেন। তখনই তাঁর সঙ্গে বচসা বাধে তৃণমূল কর্মীদের। অভিযোগ, সেই সময় ভারতী তাঁর দেহরক্ষীদের গুলি চালানোর নির্দেশ দেন। তাঁদের ছোড়া গুলিতেই বখতিয়ার খান নামে এক ব্যক্তি আহত হন বলে অভিযোগ। তাঁর বা হাতে গুলি লেগেছে। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বখতিয়ারের পরিবারের অভিযোগ, ২২৯ নম্বর বুথে ভোট দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন বখতিয়ার। শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোট হচ্ছিল। হঠাত্ই সেই বুথে ৩০-৩৫টি গাড়ি নিয়ে উদয় হন ভারতী। তার পরই উত্তেজনা ছড়ায়। তখনই ভারতী তাঁর দেহরক্ষীদের গুলি চালানোর নির্দেশ দেন।

‘সব তেল বের করে দেব’, এই হুমকি দিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে দিলীপ!

১২ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ যত কাণ্ড পশ্চিম মেদিনীপুরে। ওই জেলার দুই কেন্দ্র ঘাটাল ও মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র নিয়েই সরগরম রাজ্যের ষষ্ঠ দফা ভোট। একদম সাত সকাল থেকেই ভারতী ঘোষ রয়েছেন শিরোনাম। এরই মধ্যে আবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষকে। এমনকী তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়ে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তার আগেই অবশ্য দিলীপ ঘোষের গাড়ির পিছনের কাঁচ ভেঙে দেওয়া হয়। মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের রামপুরা থেকে বুথ জ্যামের অভিযোগ পেয়েই সেখানে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। এরপর জোর করেই তিনি বুথে ঢুকে বিজেপির এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেন। বুথের সামনে জটলা দেখে দিলীপ ঘোষ একজনকে বলেন, ‘সব তেল বের করে দেব’। দিলীপ ঘোষের এই হুমকির পরই তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বাধ্য হয়ে এলাকা ছাড়তে হয় তাঁকে। যদিও তার আগেই দিলীপবাবুর গাড়ির কাঁচ ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

ভারতীকে গ্রেফতারির দাবিতে উত্তপ্ত কেশপুর, তাঁর রক্ষীর গুলিতে আহত তৃণমূল কর্মী

১২ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ ভারতী ঘোষের নিরাপত্তা রক্ষীর গুলিতে আহত হলেন এক তৃণমূল সমর্থক। তাঁকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাননি বিজেপি প্রার্থী। এদিকে, তাঁর গ্রেফতারের দাবিতে কেশপুরে পথ অবরোধ শুরু করেছে তৃণমূল। ষষ্ঠ দফায় সকাল থেকে খবরের শিরোনামে বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। তৃণমূলের মহিলা কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, বুথে ঢুকে ভিডিয়ো রেকর্ডিং নানা ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দানা বাঁধে। এরপর কেশপুরের দোগাছিয়ায় তিনি গেলেই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা। বিজেপি প্রার্থী ঝামেলা বাধাতেই সেখানে গিয়েছেন বলে অভিযোগ করে ভারতীর উদ্দেশে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। বিক্ষোভের মুখে পড়ে তিনি ফিরবেন বলে গাড়িতে উঠে বসলেই পিছন থেকে হতে থাকে ইটবৃষ্টি। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করতে থাকেন ভারতীর নিরাপত্তা রক্ষীরা। তবে তাতে ইট ছোড়া বন্ধ হয়নি। ইটের আঘাতে আহত হন বিজেপি প্রার্থীর এক নিরাপত্তা রক্ষী।

ভারতীকে ঘিরে বিক্ষোভ, কেশপুরে শূন্যে গুলি-লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর, পরপর গাড়ি ভাঙচুর

১২ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ কোথাও বাঁশ লাঠি নিয়ে তাড়া, কোথাও শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ। তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কার্যত ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ যেখানে গিয়েছেন, সেখানেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ, উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কেশপুরের দোগাছিয়ায় উত্তেজনা এমন অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে যে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্চ এবং শূন্যে গুলি পর্যন্ত চালানো হয়েছে। গুলিতে এক জন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। অন্য দিকে ভারতীর দেহরক্ষীরও মাথা ফেটেছে। দোগাছিয়ার এই বুথে ভারতীর পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমের বেশ কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। অন্য দিকে দলবল নিয়ে একটি বুথে ঢুকে পড়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন। পরে ভারতী ঘোষের গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়। স্থানীয় একটি কালীমন্দিরে ধর্নায় বসেছেন ভারতী। বছর দেড়েক আগেও তিনি ছিলেন দোর্দণ্ডপ্রতাপ আইপিএস অফিসার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার। কিন্তু এ বার তিনি ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী। এক সময়ের সেই দোর্দণ্ডপ্রতাপ পুলিশ অফিসার ভারতী ঘোষ নিজেই কেশপুর-গড়বেতার বুথে বুথে আক্রান্ত। যেখানে গিয়েছেন, কার্যত সেখানেই বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন ভারতী। ছড়িয়েছে উত্তেজনা। প্রথম ঘটনা ঘটে কেশপুরের শিবশক্তি হাইস্কুলের ২০৬/২০৭ নম্বর বুথে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে ভারতী ঘোষ ওই বুথে যান। তাঁর অভিযোগ বিজেপির এজেন্টকে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এজেন্টকে বুথে ঢোকানোর চেষ্টা করতেই মহিলারা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ভারতীর নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে শুরু হয় হাতাহাতি। ঘাটালের বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, তাঁকে নিগ্রহ করার চেষ্টা করেন তৃণমূল কর্মীরা। ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গিয়ে তাঁর নখ উপড়ে যায়। সেই সময় কাঁদতেও দেখা যায় তাঁকে। পরে সংবাদ মাধ্যমে অভিযোগ করেন, তিনি যেখানেই যাচ্ছেন, তৃণমূল তাঁকে আক্রমণ করছে।

আরামবাগে থানায় ঢুকে তাণ্ডব সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের, পুলিসকে বেধড়ক মার

১০ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ ঠিক সময়ে বাস না পাওয়ায় ক্ষোভ গিয়ে পড়ল পুলিসের ওপরেই। থানায় ঢুকে ভাঙচুর চালাল খোদ পুলিসই। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় আরামবাগ থাকায় তাণ্ডব চালায় সত্তর সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানরা। ভোটের ডিউটিতে কোচবিহার থেকে আরামবাগে এসেছিলেন ওইসব জওয়ান। এতদিন ছিলেন আরামবাগ বয়েজ স্কুলে। বৃহস্পতিবার তাদের মেদিনীপুর ফিরে যাওয়ার কথা। সেই মতো তার তৈরিও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাস আসতে দেরি করে। ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তাদের। অবশেষে রাত সাড়ে দশটা নাগাদ একটি বাস এলেও অন্য একটি বাস আসেনি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তাঁরা। থানায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করেন তারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, থানায় যাকে সামনে পেয়েছেন তাকেই পিটিয়েছেন তারা। বাহিনীর লোকজনের হাতে মার খান পুলিস কর্মীরা। ছবি তুলতে গিয়ে মার খান কয়েকজন সাংবাদিকও। তাদের কাছ থেকে মোবাইল, ক্যামেরা কেড়ে নেওয়া হয়। সাংবাদিকদের অনেকে থানার ভেতরে লুকিয়ে পড়েন। বহিনীর সদস্যদের তাণ্ডব রূপ দেখে তাদের সামনে আসেননি পুলিসের কোনও আধিকারিক। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হয়, খবর করলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। এনিয়ে পুলিসের পক্ষ থেকে কেউই মুখ খুলতে চাননি।

ভারতী ঘোষের গাড়ি থেকে উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা, বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ

১০ই এপ্রিল, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ ১২ মে দুই মেদিনীপুর সহ মোট আট কেন্দ্র ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণ। আর তার আগে রাজ্য জুড়ে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এবার তাতেই অতিরিক্ত মাত্রা সংযোজন হল বৃহস্পতিবার রাতে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষের গাড়ি থেকে উদ্ধার হল লক্ষাধিক টাকা।

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচনী আচরণ মেনেই রাস্তায় গাড়ি তল্লাশিতে মোতায়েম ছিল পুলিশকর্মীরা। সেই সময়ে ওই রাস্তা দিয়ে বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ নিজের গাড়ি করে ফির ছিলেন। গাড়িতে ছিলেন আরও তিন জন। ছিলেন তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট অয়ন দন্ডপাট। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ভারতী ঘোষের গাড়ি থেকে ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৯৫ টাকা উদ্ধার করে। নির্বাচনী আচরই বিধি অনুসারে প্রার্থী সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা নগদ অর্থ নিজের সঙ্গে রাখতে পারেন। সেই অনুসারেই পুলিশ তার বেশি টাকা উদ্ধার করে। উদ্ধার নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। এরপরই পুলিশ ভারতী ঘোষকে সিজার লিস্টে স্বাক্ষর করতে বলায় তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা সঙ্গীদের স্বাক্ষর করাবার দাবি করেন। পুলিশ তা না মানায়, ভারতী সিজার লিস্টে স্বাক্ষর না করেই গাড়ি নিয়ে ওই স্থান থেকে চলে যান।

ভারতীর দাবি, তারা গাড়িতে চার জন ছিলেন তাই তারা ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ কাছে রাখতেই পারেন। তাঁর আরও দাবি নির্বাচনের জন্য নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে তিনি ওই নগদ টাকা তুলে ছিলেন। তা বেআইনি বা নির্বাচনী বিধি ভঙ্গে কী করে হয়। ভারতী এদিন আবারও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, কমিশনকে তিনি বহুবার তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু কমিশন তাতে কিছুই করছে না।

ট্রাক ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত কুড়ি

৫ই মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ  ট্রাক ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়েছে প্রায় ২০ জন। ঘটনাটে ঘটেছে বেনালি মোড় সংলগ্ন ২ নম্বর জাতীয় সড়কে। দুর্ঘটনার জেরে প্রায় কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক। পরে পুলিশ এসে স্বাভাবিক করে যান চলাচল। ঘাতক গাড়ির চালককে আটক করেছে পুলিশ। আজ সকালে আসানসোল থেকে রানিগঞ্জ রুটের একটি বাস আসছিল। সেইসময় উল্টোদিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেনালি মোড় সংলগ্ন ২ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে একটি দোকানে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনায় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধারের কাজে হাত লাগায়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থানে পৌঁছায় জামুড়িয়া থানার পুলিশ। আহতদের প্রথমে সাতগ্রামে ইসিএল-এর হাসপাতালে ও পরে তাদের আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এবার কলকাতা ও অন্ডাল থেকে উড়ল ফাইটার জেট

২রা মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ এবার গুয়াহাটি, কলকাতা ও দুর্গাপুরের অন্ডাল এয়ার বেস থেকে উড়তে শুরু করল ভারতীয় বায়ুসেনার অধীনে থাকা অত্যাধুনিক ফাইটার জেট। সোমবার তার সাক্ষী থাকল কলকাতা বিমানবন্দর।

এদিন সকালে চারটি এসইউ-৩০ ফাইটার জেট কলকাতা বিমানবন্দর থেকে এই প্রথম মহড়ার জন্য আকাশে ওড়ে। পাশাপাশি, অন্ডাল অসামরিক এয়ারবেস থেকে ওড়ে কয়েকটি হক ফাইটার বিমান।

নিজের এক্তিয়ারভুক্ত অঞ্চলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অসামরিক বিমানক্ষেত্র থেকে যুদ্ধবিমান চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টার্ন এয়ার কম্যান্ড। তার জেরে ১ ও ২ মে কলকাতা ও গুয়াহাটি বিমানবন্দর এবং অন্ডাল এয়ারস্ট্রিপ থেকে বায়ুসেনার সুখোই-৩০ ও হক যুদ্ধবিমান যাতায়াত করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

জানা গিয়েছে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হতেই অসামরিক বিমানবন্দর থেকে যুদ্ধবিমান ওঠানামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টার্ন কম্যান্ড।

হোটেলে চূড়ান্ত হেনস্থা ৪ যুবতীদের, কাঠগড়ায় পুলিশ

২রা মে, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ দল বেঁধে গিয়েছিলেন দীঘা। পরিকল্পনা ছিল জমিয়ে ছুটি কাঁটানোর। তবে তা পরিণত হল তিক্ত অভিজ্ঞতায়। পুলিশের সাহায্য চেয়েও কাজে আসেনি বলে অভিযোগ। তড়িঘড়ি সফর কাটছাঁট করে শহরে ফিরে এসেছেন তাঁরা। কলকাতা ও হাওড়া পুলিশের পদস্থ আধিকারিকের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর অফিসেও অভিযোগ জমা করেছেন শহরের চার যুবতী। ছুটি কাটাতে সম্প্রতি দীঘা গিয়েছিলেন ত্রিশ ছুঁই ছুঁই চার যুবতী। গত শুক্রবার উঠেছিলেন নিউ দীঘার হোটেল আশাতে। রুমের এসি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন তাঁরা। একইসঙ্গে বাথরুমের সাবান নিয়েও সমস্যা ছিল। তবে অভিযোগ পছন্দ হয়নি হোটেল কর্মীদের। ওই যুবতীদের অভিযোগ, ‘সন্ধ্যার পর অচেনা লোকেরা এসে বিরক্ত করছিল। কেউ দেশলাই বাক্স চাইছিল। প্রথমে পাত্তা দেইনি। তবে রাতে বাইরে থেকে দরজায় ধাক্কা মারা হয়। ভয় পেয়ে টেবিল ও চেয়ার দিয়ে দরজা আটকে রেখেছিলাম। গোটা রাত প্রায় না ঘুমিয়ে কাটাই।’

পরের দিন সকালে হোটেলের ম্যানেজারের কাছে অভিযোগ করেন ওই যুবতীরা। তবে গোটা বিষয়টি গুরুত্ব দিতে চাননি ম্যানেজার। অন্য এক হোটেল থেকে যুবতীদের বন্ধু্রা এলে, তাঁদের সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার এবং ধাক্কা দিয়ে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী CCTV ফুটেজ দেখতে চাইলেও তা দেখানো হয়নি। বচসার সময় ফোনে রেকর্ড করা শুরু করলে, তা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং যুবতীকে পেটে লাথি মারা হয় বলেও অভিযোগ।

অভিযোগ নিয়ে দীঘা পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিলেন ওই চার যুবতী। তবে সেখানে সহযোগিতার পরিবর্তে অভিযোগ না জানানোর জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁদের। নাম না জানা গেলেও, থানার এক পুলিশ আধিকারিক তাঁদের জানান, রাজ্যে আইনজীবীদের কর্মবিরতির জেরে বিচারকের সামনে বয়ান রেকর্ডে সময় লাগবে। অভিযোগ জানালে ততদিন দীঘাতেই থাকতে হবে ওই যুবতীদের।

গোটা ঘটনায় বিধ্বস্ত যুবতীরা শনিবারই ফিরে আসেন। ‘আমাদের অভিজ্ঞতা এতটাই খারাপ ছিল যে, দ্রুত ফিরে এসেছি। আমার মুখে এখনও ক্ষত রয়েছে, পেটে ব্যথা রয়েছে।’

দীঘার হোটেল আশার মালিক আশিস প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগই খারিজ করেছেন। তাঁর মতে, ‘সমস্যা ছিল। তবে ওরা বাড়িয়ে বলছে। আমাদের মহিলা কর্মীরা ওদের ধাক্কা দিলেও মারধর করেনি। আমরাও পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিলাম। দু’পক্ষকে বসিয়ে পুলিশই মিটমাট করিয়ে দেয়।’ পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভি এস নেসাকুমার জানান, ‘ব্যক্তিগত ভাবে এই বিষয়ে খোঁজ নেব।’

দীঘা-শংকরপুর হোটেল মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সচিব বিপ্রদাস চক্রবর্তী অবশ্য জানিয়েছেন, ‘ওই হোটেলের বিরুদ্ধে এর আগেও অভিযোগ এসেছে। এখানকার পর্যটনের জন্য এটা খুবই খারাপ বিষয়। হোটেলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

লোকসভা নির্বাচনের সারাদিন নানা ঘটনার ব্যালট যুদ্ধ

২৯শে এপ্রিল, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ 

লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় ভোটাররা 

ভোট ঘিরে নানুরে তুমুল উত্তেজনা। লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন বিজেপি সমর্থকরা। অভিযোগ, ভোটের আগের দিন থেকেই বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে ঢুকে হুমকি, শাসানি দিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এরই প্রতিবাদে আজ সোমবার ভোটের দিন বিজেপি সমর্থকরা লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতেও বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালিয়ে, ভাঙচুর শুরু করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এখনও গোটা গ্রামে উত্তেজনা রয়েছে।

ভোট দিলেন ‘নজরবন্দি’ অনুব্রত

নজরবন্দি অবস্থাতেই ভোট দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তবে বাইক বাহিনী নিয়ে তাঁর বুথে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়েছে। ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, ‘‘ভোটগ্রহণ চলছে শান্তিপূর্ণ ভাবেই। খুব ভাল ভোট হচ্ছে। নজরবন্দি করলেও তাঁর কিছু যায় আসে না।’’ নজরবন্দির ফলে তাঁর ফোনও জমা দিতে হয়েছে। এ দিন ভোট দেওয়ার পর অবশ্য অনুব্রতর নির্লিপ্ত জবাব, ‘‘একটা ফোন গিয়েছে তো কী হয়েছে, হাজারটা ফোন আছে।’’

ইভিএম-এ আতর!

অভিনব কায়দায় ভোটাররা কাকে ভোট দিলেন তা চিহ্নিত করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, মঙ্গলকোট এলাকার দু’টি বুথের ইভিএম-এ তৃণমুলের প্রতীকে আতর লাগিয়ে রাখা হয়েছে। ভোট দিয়ে বেরনোর পরই ভোটারদের আঙুল পরীক্ষা করছেন তৃণমূল কর্মীদের। অর্থাৎ আঙুলে আতরের গন্ধ রয়েছে কিনা, সেটা দেখছেন। সেটা থাকলেই ধরে নিচ্ছেন, তৃণমূলে ভোট দিয়েছেন। এ ছাড়া গত কাল রাত থেকেই তৃণমূলের দেওয়া সিগারেট ও রকমারি খাবার খেয়েছেন বলে অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও ভোট কর্মীদের বিরুদ্ধে।

ঘুঘনি-মুড়ির প্যাকেট!

বুথেই যেতে দেওয়া হচ্ছে না ভোটারদের। তার আগেই ঘুঘনি-মুড়ির প্যাকেট দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের মঙ্গলকোট ব্লকের মাজিগ্রাম অঞ্চলের বকুলিয়া গ্রাম বুথে (১৩২) এই অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা। অভিযোগ, ভোট দিতে এলেই ভোটারদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘুঘনি-মুড়ির প্যাকেট। তার পর তাঁদের ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়িতে। বুথের ধারেকাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। একই অভিযোগ উঠেছে নানুরের একটি বুথেও।

বাবুল সুপ্রিয়র গাড়ি ভাঙচুর

আসানসোলের বারাবনিতে তীব্র উত্তেজনা। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। বারাবনির এই বুথে বিজেপির এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। ওই বুথে যেতেই তৃণণূল কর্মীরা তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশকর্মীরা তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যান। তবে তার আগেই এক তৃণমূল কর্মীর মাথা ফাটে বলে অভিযোগ। বাবুলের অভিযোগ, তৃণমূল আমাকে এক জায়গায় আটকে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাকে আটকাতে পারবে না। আমি সব বুথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। যদিও তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, বাবুল সুপ্রিয়র অনুগামী-সমর্থকরাই উত্তেজনার সৃষ্টি করেছেন। বুথে ঢুকে তৃণমূলের এজেন্টকে ধমাকনোর অভিযোগও উঠেছে বাবুলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় বাবুলের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। অন্য দিকে বাবুলের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনারও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার 

বেলা ১১টা পর্যন্ত রাজ্যের আট কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়ল ৩৫.১০ শতাংশ। এর মধ্যে বহরমপুর কেন্দ্রে ৩৬.১১%, কৃষ্ণনগরে ৩৪.৮৫%, রানাঘাটে ৩৫.১২%, বর্ধমান পূর্বে ৩৬.৭৮%, বর্ধমান-দুর্গাপুরে ৩৩.৮২%, আসানসোলে ৩৩.৯৮%, বোলপুরে ৩৬.০৪% এবং বীরভূম কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩৪.১০%।

জেমুয়ায় লাঠিচার্জ

ভোট শুরু হতেই আসানসোলের জেমুয়ার ভাদুবালা স্কুলের বুথে তীব্র উত্তেজনা। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে লাঠিচার্জ করল পুলিশ। সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হতেই ভোটারদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট দেবেন না তাঁরা। এই নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে তাঁদের বুঝিয়েও নিরস্ত করতে না পেরে শেষে লাঠিচার্জ করেন পুলিশকর্মীরা। তবে তার মধ্যেই তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি, মারপিট শুরু হয়ে যায়। দফায় দফায় খণ্ডযুদ্ধে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা বুথ চত্বর। ফলে ভোটগ্রহণ শুরুই হয়নি। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী, র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স এসে বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, জেমুয়ার পাঁচটি বুথেই মাত্র এক জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছিল।

দীর্ঘক্ষণ পর কমিশনের হস্তক্ষেপে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। ভোটারদের অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরেই এলাকায় রুট মার্চ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকি, গতকাল রাতেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ওই বুথের এলাকায় ছিলেন। কিন্তু সকালে ভোট দিতে এসে দেখা যায়, রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট হচ্ছে। তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন ভোটাররা। তাঁদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে সুষ্ঠু ভাবে ভোট সম্ভব নয়।

চাপড়ায় ছাপ্পার অভিযোগ

ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ার কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের চাপড়ার একটি বুথে। বিজেপির অভিযোগ, ওই কেন্দ্রে তাঁদের দলের এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। সেই সুযোগ নিয়ে অবাধে ছাপ্পা ভোট দেওয়া চলছিল। খবর পেয়ে ওই বুথে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে। পাশাপাশি কমিশনের আধিকারিকরাও ওই বুথে যান। অন্য দিকে বুথের মধ্যে ঢুকে মোবাইলে কথা বলার অভিযোগ উঠেছে কল্যাণের বিরুদ্ধেও।

অধীরের এজেন্টকে বাধা

সাত সকালেই ভোটগ্রহণ ঘিরে উত্তেজনা বহরমপুরে। অভিযোগ, কৃষ্ণনাথ কলেজিয়েট স্কুলে অধীর চৌধুরীর এজেন্টকে ঢুকতে বাধা দেয় তৃণমূল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে যান অধীর। তাঁর হস্তক্ষেপে এজেন্টে ঢুকতে পারেন। এই স্কুলেরই অন্য বুথে এজেন্টকে মারধর করে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। এছাড়া বহরমপুর বিএড কলেজে ছাপ্পা ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদের অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনের কর্মী-অফিসারদের একাংশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন।

ইভিএম খারাপ, ফিরলেন দুধকুমার 

বীরভূমের বিভিন্ন বুথে ইভিএম খারাপের অভিযোগ তুললেন জেলার বিজেপি নেতা দুধকুমার মণ্ডল। এমনকি, তিনি নিজেও ভোট দিতে গিয়ে দেখেন ইভিএম খারাপ। ফলে তাঁকে ভোট না দিয়েই ফিরে আসতে হয়। তবে তাঁর বিরুদ্ধেও অভিযোগ, বুথের মধ্যে মোবাইল নিয়ে ঢুকেছিলেন। পরে কমিশন জানিয়েছে, মোবাইল নিয়ে বুথের মধ্যে ঢোকার অভিযোগে দুধকুমার মণ্ডলকে শো-কজ করা হয়েছে।

ছাপ্পা ভোট! অপসারিত প্রিসাইডিং অফিসার 

ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ঘিরে সরগরম বর্ধমান-পূর্ব কেন্দ্রের কেতুগ্রামের খাজি হাইস্কুলের বুথ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তোলেন বিরোধী এজেন্টরা। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই ছাপ্পা ভোট দেওয়া হয়। খবর পেয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। সংবাদ মাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন।

পাহাড়, তরাই-ডুয়ার্স থেকে নামতে নামতে ভোট ঢুকে পড়ল দক্ষিণবঙ্গে। তৃতীয় দফায় মুর্শিদাবাদ এবং জঙ্গিপুর কেন্দ্রের ভোট হলেও চতুর্থ দফাতেই কার্যত দক্ষিণবঙ্গে ভোটগ্রহণ পুরোপুরি শুরু হল। এই দফাতেই সবচেয়ে বেশি আটটি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। বীরভূমের বীরভূম ও বোলপুর, দুই বর্ধমানের বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান দুর্গাপুর ও আসানসোল, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট এবং মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কেন্দ্রের ভোটে সর্বত্র কড়া নজরদারি। প্রায় ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

রাজনৈতিক দিক থেকেও এই দফার কেন্দ্রগুলি গুরুত্বপূর্ণ।  অনুব্রত মন্ডলকে নজরবন্দি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বীরভূম জেলা সভাপতিকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রেখে কী রকম ভোট হয়, তার দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। অধীর চৌধুরির কেন্দ্র বহরমপুরে এ বার সিপিএম প্রার্থী দেয়নি। কংগ্রেস এবং তৃণমূল দু’দলের কাছেই এই কেন্দ্র ‘প্রেস্টিজ ফাইট’।

২০১৪ সালে এ রাজ্য থেকে দু’টি আসন জিতেছিল বিজেপি। দার্জিলিঙে সুরেন্দ্র সিংহ অহলুওয়ালিয়া এবং আসানসোলে জিতেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আসানসোল কেন্দ্রে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এই কেন্দ্রে এবার বাঁকুড়া থেকে সরিয়ে মুনমুন সেনকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। বাবুল-মুনমুনের ভাগ্য আজ ইভিএম বন্দি করবেন ভোটাররা।

লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুন হওয়ার পর তাঁর স্ত্রীকেই রানাঘাট লোকসভায় টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। ফলে রাজনীতিতে আনকোড়া রূপালি বিশ্বাস দলের কাঁধে ভর দিয়ে সংসদে পা রাখতে পারবেন কিনা, আজই ইভিএমে তার জবাব দেবেন ভোটাররা। নদিয়ার আর এক কেন্দ্র কৃষ্ণনগরে তাপস পালকে সরিয়ে তৃণমূল প্রার্থী করেছে করিমপুরের বিধায়ক মহুয়া মৈত্রকে। অন্য দিকে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন ফুটবলার কল্যাণ চৌবে। গত পঞ্চায়েত ভোটে দলের ফলের সমীকরণে এই কেন্দ্রে ভাল ফলের আশায় রয়েছে বিজেপি। আবার জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল প্রার্থী মহুয়াও।

কালো টাকা সাদা করার মোদি-অমিত ষড়যন্ত্র বলে দাবী করলেন বাজপেয়ী সরকারের অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহার

২৮শে এপ্রিল, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ চলছে লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্যায়ের ভোটগ্রহণ ৷ এর মাঝেই বিস্ফোরক মন্তব্য যশবন্ত সিনহার ৷ নোটবন্দি আসলে মোদি ও অমিত শাহের মস্তিষ্কপ্রসূত এবং একটি বড় ষড়যন্ত্র ছিল বলে অভিযোগ আনেন এই প্রাক্তন বিজেপি নেতা এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ৷ শুধু তাই নয় তিনি অভিযোগ করেছেন জনগণকে ধোঁকা দিয়েছেন শাহ ও মোদি জুটি ৷ মঙ্গলবার তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার চালাতে আসানসোলে আসেন যশবন্ত সিনহা ৷ প্রাক্তন বিজেপি মন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান ৷ মোদির নোটবন্দির সিদ্ধান্ত ভুল পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করার সঙ্গে সঙ্গে একে একটি বড় ষড়যন্ত্র বলেও উল্লেখ করেন ৷ তিনি বলেন, ‘আমি মানতাম নোটবন্দি একটি ভুল পদক্ষেপ। কিন্তু এর পিছনে ভয়ংকর ষড়যন্ত্র ছিলো । তার প্রমাণ এখন দেশের সামনে আসছে । আমি বুঝতে পারি নি। মোদি আর অমিত শাহ এমন খেলা খেলবেন এটা বুঝতেই পারি নি।’ যশবন্ত সিনহার মতে, দেশে বিপুল পরিমাণ কালাধনের উপস্থিতির কথা জানা সত্ত্বেও ৪০ শতাংশ কমিশনে সেগুলি সাদা করার সুযোগ করে দিয়েছেন মোদি-শাহ ৷ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কিভাবে কালো টাকা থাকা সত্ত্বেও ৯৯.০৩ শতাংশ টাকা ব্যাঙ্কে ফেরত আসে ৷ কারণ কালাধনকে সাদা করে দেওয়া হয়েছে ৷’

অনুব্রতকে ‘গৃহবন্দি’ করার আর্জি নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে ভোটকর্মীরা

২৮শ এপ্রিল, দিনাজপুর ডেইলি ডেস্কঃ বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি নিয়ে শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে আর্জি পেশ করলেন ভোটকর্মীরা। ভোটকর্মীদের সংগঠনের তরফে মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়, চতুর্থ দফায় বীরভূমে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ জরুরি। এমনকী ভোটের সময় তাঁকে যাতে ‘গৃহবন্দি’ করে রাখা যায়, সেই অনুরোধও করা হয়েছে।  ভোটকর্মীদের সংগঠনের অভিযোগ, শাসকদলের হয়ে ভোট করানোর জন্য জেলা তৃণমল নেতা অনুব্রত মণ্ডল তাঁদের ক্রমাগত হুমকি দিয়ে চলেছেন। অনুব্রত অবশ্য এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

বালুরঘাটে রেল ও বিমান নিয়ে মোদীর পাল্টা দিলেন দিদি, প্রমান করলে দিদি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন

২১শে এপ্রিল, নদীয়াঃ গতকাল বুনিয়াদপুরের জনসভা থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বালুরঘাটে রেল ও বিমান নিয়ে দিদিকে আক্রমনের পাল্টা নদীয়ার জনসভা থেকে দিলেন দিদি। এইদিন প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী জনসভা থেকে মমতা ব্যানার্জীকে আক্রমন করে বলেন এই জেলায় রেল নিয়ে বড় সমস্যা তিনি শুনেছেন, মমতা দিদি তো রেলমন্ত্রী ছিলেন, তিনি তখন কেন এই জেলার রেল সমস্যা নিয়ে কাজ করেননি। কেন এই জেলায় নতুন ট্রেন পরিষেবার উন্নয়ন করেননি। বালুরঘাটে বিমানবন্দর তৈরি করা হয়েছে, কিছু দিনের মধ্যেই বালুরঘাট থেকে বিমান চলবে। এর পাল্টা উত্তরে মোদীজি আক্রমন করে নদীয়ার জনসভা থেকে মমতা ব্যানার্জী বলেন, একলাখি বালুরঘাটকে করছে, নরেন্দ্র মোদী খোঁজ নিয়ে দেখুক। তার রেল মন্ত্রী থাকা কালিন এই প্রকল্পের কাজ হয়েছে, বুনিয়াদপুর ওয়াগান কারখানা, বালুরঘাট হিলি, বুনিয়াদপুর কালিয়াগঞ্জ, গাজল ইটাহার, বুনিয়াদপুর ইটাহারের মতো একাধিক রেল প্রকল্পের কাজ তার আমলেই করা।বালুরঘাট থেকে একাধিক ট্রেন পরিষেবা তিনিই করেছিলেন। গত পাঁচ বছরে বালুরঘাট কেন এই বাংলায় তিনি কয়টা ট্রেন রেল প্রকল্পের কাজ করেছেন মোদীজি বলুক। বালুরঘাট বিমানবন্দর নতুন করে তৈরি করেছে মমতা ব্যানার্জীর সরকার। যদি ক্ষমতা থাকে মমতা ব্যানার্জী চ্যালেঞ্জ করছেন মোদীকে, তার কথা প্রমান করতে পারলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।